ঘুমের সময়কার গল্পগুলি কি আপনার ছোট্টটির মন শান্ত করার সেরা উপায়?

ঘুমের সময়কার গল্পগুলি কি আপনার ছোট্টটির মন শান্ত করার সেরা উপায়?

মজার গেম + আকর্ষণীয় গল্প = খুশি মনে শেখা শিশুরা! এখনই ডাউনলোড করুন

সূর্য অস্ত গেছে। আকাশ অন্ধকার। ঘুমের সময় হয়েছে। ছোট্ট চোখগুলো ভারী হয়ে আসছে। দিনের শেষে মন ভরে উঠেছে। এখন শান্ত কণ্ঠস্বর, মৃদু গল্প এবং ঘুম পাড়ানো গল্পের সময়। এই ধরনের গল্প নরম এবং ধীর গতির হয়। এটি মনের জন্য একটি উষ্ণ কম্বলের মতো। সেরা ঘুমের গল্পের মাধ্যমে ব্যস্ত চিন্তাগুলো ধীরে ধীরে কমে আসে। তারা শিশুদের শান্ত এবং বিশ্রাম নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতে সাহায্য করে। আসুন একটি শান্ত গল্প বলি। এটি একটি ছোট্ট ভেড়ার ঘুমোতে যাওয়ার গল্প। এটি প্রি-স্কুল শিশুদের জন্য উপযুক্ত একটি ছোট গল্পের উদাহরণ।

ঘুমন্ত ছোট্ট ভেড়ার তারাখচিত কম্বল

সূর্য অস্ত গেল। আকাশ গাঢ় নীল ছিল। একটি ছোট্ট সাদা ভেড়া ঘাসবনে দাঁড়িয়ে ছিল। তার নাম ছিল লুলু। লুলুর ঘুম আসছিল না। সে লাফাতে চেয়েছিল। খেলতে চেয়েছিল। কিন্তু চাঁদ উঠেছিল। তারারা জ্বলজ্বল করছিল। ঘুমানোর সময় হয়ে গিয়েছিল।

মা ভেড়া নরমভাবে ডাকল। “এসো, লুলু। ঘুমানোর সময় হয়েছে।” লুলু মাথা নাড়ল। “এখনও না,” সে ফিসফিস করে বলল। মায়ের একটি নরম কম্বল ছিল। এটি নীল রঙের একটি কম্বল ছিল। এটির উপর রুপালি তারা আঁকা ছিল। “তোমার তারাখচিত কম্বলটি নাও,” মা বলল। “আমরা ধীরে ধীরে বাড়ি যাব।”

লুলু কম্বলটি নিল। এটি খুব নরম ছিল। এটি সূর্যের তাপে উষ্ণ ছিল। লুলু তার কম্বল পছন্দ করত। সে এটিকে বুকের কাছে ধরল। জড়িয়ে ধরল। কম্বলটা আরামদায়ক লাগছিল।

লুলু এবং মা হাঁটতে শুরু করল। তারা খুব, খুব ধীরে হাঁটছিল। এক পা, দুই পা। তাদের পা ঘাসের উপর প্যাঁট, প্যাঁট করে পড়ছিল। তারা দৌড়ায়নি। তারা লাফায়নি। তারা ধীরে এবং ঘুম-ঘুম চোখে হাঁটছিল।

লুলু একটা জোনাকি পোকা দেখল। জোনাকি পোকাটি মৃদু আলো জ্বালালো। “শুভরাত্রি, জোনাকি,” লুলু বলল। জোনাকি পোকাটি আরও একবার আলো জ্বালালো। “শুভরাত্রি, ভেড়া,” জোনাকি পোকাটি বলল। আলো নিভে গেল। বিশ্রাম নেওয়ার সময় হলো।

লুলু এবং মা হাঁটতে থাকল। তারা একটি ছোট্ট টিলার উপরে উঠল। এক পা, দুই পা। প্যাঁট, প্যাঁট। বাতাস হালকাভাবে বইছিল। চুপ, চুপ, বাতাস বলল। এটি একটি নরম শব্দ ছিল। লুলু তার কম্বলটি আরও শক্ত করে ধরল।

লুলু একটি ছোট্ট ব্যাঙ দেখল। ব্যাঙটি একটি পাথরের উপর বসে ছিল। “শুভরাত্রি, ব্যাঙ,” লুলু বলল। ব্যাঙটি শান্তভাবে ডাকল। “শুভরাত্রি, ভেড়া,” ব্যাঙ বলল। ব্যাঙটি স্থির হয়ে গেল। ঘুমানোর সময় হলো।

লুলু এবং মা হাঁটতে থাকল। রাত শান্ত ছিল। লুলু উপরের দিকে তাকাল। সে একটি তারা দেখল। তারপর দুটি তারা দেখল। তারপর অনেক তারা দেখল। তারা মৃদুভাবে মিটমিট করছিল। টিপ, টিপ। তারাগুলো তার কম্বলের মতো ছিল। আকাশ ছিল একটি বড়, তারাখচিত কম্বল।

লুলু অনুভব করল তার চোখ ভারী হয়ে আসছে। সে ধীরে হাঁটছিল। সে তার নরম কম্বল ধরে ছিল। সে ঘুমন্ত তারাগুলো দেখছিল। সে খুব শান্ত অনুভব করছিল।

তারা তাদের আরামদায়ক শেডে পৌঁছাল। দরজা খোলা ছিল। লুলু মায়ের সাথে ভিতরে গেল। সে খুব, খুব ধীরে হাঁটছিল। শেষ এক পা। শেষ দুই পা। প্যাঁট, প্যাঁট।

ভিতরে, গরম ছিল। মেঝেতে নরম খড় বিছানো ছিল। মা শুয়ে পড়ল। লুলু তার পাশে শুয়ে পড়ল। সে খড়ের মধ্যে গুটিসুটি হয়ে শুয়ে পড়ল। সে তার তারাখচিত কম্বলটি গায়ে জড়িয়ে নিল। সে খুব আরাম পাচ্ছিল। সে খুব নিরাপদ ছিল।

লুলু মাকে শুভরাত্রি জানাল। “শুভরাত্রি, মা।” মা লুলুকে শুভরাত্রি জানাল। “শুভরাত্রি, লুলু।” লুলু তার কম্বলকে শুভরাত্রি জানাল। “শুভরাত্রি, কম্বল।” সে বাইরের তারাগুলোকে শুভরাত্রি জানাল। “শুভরাত্রি, তারা।”

লুলু চোখ বন্ধ করল। তার শ্বাস ধীরে চলছিল। ভেতরে… বাইরে… ভেতরে… বাইরে…। এটি একটি ঘুম ঘুম ভাব আনা শব্দ ছিল। একটি শান্ত শব্দ। লুলু জেগে ছিল না। লুলু ঘুমিয়ে ছিল।

বাইরে, বাতাস আরও একবার বইছিল। চুপ, চুপ। এটি একটি ঘুম পাড়ানি গান ছিল। তারারা উপরে মিটমিট করছিল। টিপ, টিপ। তারা ছোট্ট ভেড়াটিকে ঘুমাতে দেখছিল। সব শান্ত ছিল। সব স্থির ছিল। শুভরাত্রি।

এটি একটি ঘুম পাড়ানি গল্পের মৃদু শক্তি। এটি দৌড়ায় না বা চিৎকার করে না। এটি ধীরে হাঁটে। এটি ফিসফিস করে। এটি দিনের বেলাকে শুভরাত্রি জানায়। এই ধরনের একটি সাধারণ, শান্ত গল্প আপনি শিশুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। এটি শিশুদের দিনের মজাগুলো ভুলে যেতে সাহায্য করে। এটি তাদের ধীরে ধীরে বিশ্রামের দিকে নিয়ে যায়। এই ধরনের একটি গল্পের পরে, ঘর শান্ত হয়ে যায়। একমাত্র শব্দ হল শান্ত শ্বাস-প্রশ্বাস। দিন শেষ। ঘুম এসেছে। এবং স্বপ্নগুলো অপেক্ষা করছে, নরম এবং মিষ্টি, ঠিক একটি ছোট্ট ভেড়ার তারাখচিত কম্বলের মতো।