বিভিন্নভাবে কথা বলার উপায় কী? কিন্ডারগার্টেন-এর জন্য ১০০ ধরনের বাক্য শিখুন!

বিভিন্নভাবে কথা বলার উপায় কী? কিন্ডারগার্টেন-এর জন্য ১০০ ধরনের বাক্য শিখুন!

মজার গেম + আকর্ষণীয় গল্প = খুশি মনে শেখা শিশুরা! এখনই ডাউনলোড করুন

হ্যালো, ছোট্ট শব্দ-সন্ধানী! তুমি কি জানতো তোমার কণ্ঠস্বর একটা সরঞ্জাম বাক্সের মতো? এর মধ্যে তোমার জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু সরঞ্জাম। প্রত্যেকটি সরঞ্জাম এক এক ধরনের কথা বলার জন্য! আমরা কথা বলার এই ভিন্ন ভিন্ন ধরনকে বাক্য বলি। প্রত্যেক ধরনের বাক্যের একটি বিশেষ কাজ আছে। এটি কিছু বলতে পারে, প্রশ্ন করতে পারে, কাউকে কিছু করতে বলতে পারে, অথবা একটি বড় অনুভূতি জানাতে পারে। আজ, আমরা চারজন নতুন বন্ধুর সাথে পরিচিত হব। প্রত্যেক বন্ধু এক এক ধরনের বাক্য। আসুন, বাড়ি, পার্ক, স্কুল এবং প্রকৃতির মধ্যে কথা বলার একশো মজার উপায় শিখি। চলো, তোমার কণ্ঠস্বর-এর সরঞ্জাম বাক্সটি খোলা যাক!

বাক্য-এর প্রকারভেদ কী? বাক্য-এর প্রকারভেদ হলো আমরা আমাদের ধারণাগুলো জানানোর ভিন্ন ভিন্ন উপায়। তোমার কণ্ঠস্বরকে পশুর শব্দের মতো করে ভাবো। খরগোশের শান্ত লাফ একরকম। একটি বিড়ালের কৌতূহলী ‘মিঁও?’ অন্যরকম। একটি কুকুরের ‘ফিরে আয়!’ অন্যরকম। একটি পাখির আনন্দিত ‘চিঁ-চিঁ!’ আরেকটি উপায়। বাক্যগুলোও তেমন! প্রত্যেক প্রকারের একটি আলাদা কাজ এবং একটি আলাদা সমাপ্তি চিহ্ন আছে। চারটি প্রধান বন্ধু হলো: বর্ণনামূলক বাক্য, প্রশ্নসূচক বাক্য, আদেশসূচক বাক্য এবং আবেগসূচক বাক্য। এই ধরনের বাক্যগুলো শিখলে তুমি স্পষ্টভাবে কথা বলতে এবং লিখতে পারবে।

বিভিন্ন কথা বলার সরঞ্জাম শেখার কারণ কী? বিভিন্ন ধরনের বাক্য শিখলে তুমি একজন ভালো বক্তা এবং শ্রোতা হতে পারবে। এটি তোমার কানকে শুনতে সাহায্য করে। কেউ যখন তোমাকে কোনো খবর বলছে বা সাহায্য চাইছে, তখন তুমি তা বুঝতে পারো। এটি তোমার মুখকে কথা বলতে সাহায্য করে। তুমি একটি গল্প বলতে পারবে, কুকি চাইতে পারবে, অথবা স্পষ্টভাবে তোমার আনন্দ ভাগ করে নিতে পারবে। এটি তোমার চোখকে পড়তে সাহায্য করে। সমাপ্তি চিহ্নের কারণে তুমি সঠিক অনুভূতি নিয়ে পড়তে পারবে। এটি তোমার হাতকে লিখতে সাহায্য করে। তুমি তোমার বন্ধুদের জন্য নোট, গল্প এবং কার্ড লিখতে পারবে। তোমার কথা বলার সরঞ্জাম জানা খুবই মজাদার!

তোমার চারটি বাক্য-বন্ধু-এর সাথে পরিচিত হও! আসুন, তোমার চার নতুন বন্ধুর সাথে পরিচিত হই। প্রত্যেকেই এক এক ধরনের বাক্য।

বন্ধু ১: বর্ণনাকারী খরগোশ (একটি বিবৃতিমূলক বাক্য)। এই বন্ধুর কাজ হলো কিছু বলা। এটি তথ্য দেয় বা একটি ঘটনা জানায়। এটি একটি দাঁড়ি (.) দিয়ে শেষ হয়। বর্ণনাকারী খরগোশ শান্তভাবে হাঁটে। “আমার নাম স্যাম। আমার একটি লাল বল আছে। আকাশ নীল। আমি আইসক্রিম পছন্দ করি।”

বন্ধু ২: প্রশ্নকর্তা বিড়াল (একটি জিজ্ঞাসাসূচক বাক্য)। এই বন্ধুর কাজ হলো কিছু জিজ্ঞাসা করা। এটি একটি উত্তর জানতে চায়। এটি একটি প্রশ্ন চিহ্ন (?) দিয়ে শেষ হয়। প্রশ্নকর্তা বিড়ালের কান খাড়া হয়। “তোমার নাম কি? এটা কি তোমার খেলনা? তুমি কি কুকুর পছন্দ করো? আমার মা কোথায়?”

বন্ধু ৩: আদেশকারী কুকুর (একটি অনুজ্ঞাসূচক বাক্য)। এই বন্ধুর কাজ হলো কাউকে কিছু করতে বলা। এটি একটি আদেশ দেয় বা অনুরোধ করে। এটি প্রায়ই একটি দাঁড়ি (.) অথবা একটি বিস্ময় চিহ্ন (!) দিয়ে শেষ হয়। আদেশকারী কুকুর বসে থাকে এবং কাজের জন্য অপেক্ষা করে। “দয়া করে বসো। দরজাটা বন্ধ করো। ওটা দেখ! দুধটা দাও।”

বন্ধু ৪: আবেগপূর্ণ পাখি (একটি আবেগসূচক বাক্য)। এই বন্ধুর কাজ হলো তীব্র অনুভূতি দেখানো। এটি উত্তেজনা, বিস্ময় বা আনন্দ জানায়। এটি সবসময় একটি বিস্ময় চিহ্ন (!) দিয়ে শেষ হয়। আবেগপূর্ণ পাখি জোরে গান গায়! “আমি তোমাকে ভালোবাসি! বাহ, এটা বিশাল! শুভ জন্মদিন! ওহ, এটা লেগেছে!”

কীভাবে তুমি তোমার নতুন বন্ধুদের আলাদা করতে পারবে? কোন বন্ধু কথা বলছে তা জানতে এই সাধারণ কৌশলগুলো ব্যবহার করো।

সমাপ্তি চিহ্নটি দেখো! এটি সবচেয়ে বড় সূত্র। একটি দাঁড়ি (.) প্রায়ই বর্ণনাকারী খরগোশ। একটি প্রশ্ন চিহ্ন (?) হলো প্রশ্নকর্তা বিড়াল। একটি বিস্ময় চিহ্ন (!) হলো আদেশকারী কুকুর অথবা আবেগপূর্ণ পাখি।

কথার স্বর শোনো। যখন তুমি এটি বলো, তখন কি তোমার কণ্ঠস্বর শেষে উপরে ওঠে? সেটি একটি প্রশ্ন। এটি কি নিচে নামে? সেটি একটি বর্ণনামূলক বাক্য। এটি কি জোরালো বা উচ্চস্বরে শোনাচ্ছে? সেটি একটি আদেশ বা বিস্ময়সূচক বাক্য।

জিজ্ঞাসা করো বাক্যটি কী করছে। এটি কি তথ্য দিচ্ছে? (বর্ণনাকারী খরগোশ) এটি কি একটি উত্তর চাইছে? (প্রশ্নকর্তা বিড়াল) এটি কি কাউকে কাজ করতে বলছে? (আদেশকারী কুকুর) এটি কি বড় অনুভূতি দেখাচ্ছে? (আবেগপূর্ণ পাখি)

প্রশ্নকর্তা বিড়ালের জন্য বিশেষ ‘প্রশ্ন শব্দ’ খুঁজে বের করো। কে, কি, কোথায়, কখন, কেন, কিভাবে, কর, পার, হয়-এরকম শব্দগুলো প্রায়ই প্রশ্ন শুরু করে।

আমরা কীভাবে প্রত্যেক ধরনের বাক্য ব্যবহার করি? প্রত্যেক বন্ধুর নিজস্ব স্থান এবং কথা বলার নিজস্ব উপায় আছে।

বর্ণনাকারী খরগোশের সূত্র: [কর্তা] + [ক্রিয়া] + [বাকি অংশ]। + “আমি একটি রংধনু দেখি। কুকুরটি ঘুমায়। আমরা বন্ধু।” গল্প বলতে এবং তথ্য জানাতে এটি ব্যবহার করো।

প্রশ্নকর্তা বিড়ালের সূত্র: [প্রশ্ন শব্দ] + [সাহায্যকারী ক্রিয়া] + [কর্তা] + [ক্রিয়া]? অথবা [সাহায্যকারী ক্রিয়া] + [কর্তা] + [ক্রিয়া]? “ওটা কি? আমি কি খেলতে পারি? এটা কি তোমার ভালো লাগে?” নতুন জিনিস খুঁজে বের করতে এটি ব্যবহার করো।

আদেশকারী কুকুরের সূত্র: প্রায়ই একটি ক্রিয়া দিয়ে শুরু হয়। ‘তুমি’ কর্তাটি লুকানো থাকে। “[তুমি] বসো। [তুমি] শান্ত হও। [তুমি] আমার দিকে তাকাও!” সাহায্য চাইতে বা নির্দেশ দিতে এটি ব্যবহার করো।

আবেগপূর্ণ পাখির সূত্র: প্রায়ই ‘কি’ বা ‘কত’ দিয়ে শুরু হয় অথবা শুধু একটি শক্তিশালী শব্দ দিয়ে। “কত বড় কেক! কি মজার! আমি জিতেছি!” তোমার সবচেয়ে বড় অনুভূতি জানাতে এটি ব্যবহার করো।

আসুন, আমাদের বন্ধুদের সঠিক কথা বলতে সাহায্য করি! কখনও কখনও আমরা আমাদের বন্ধুদের এলোমেলো করে ফেলি। তাদের সাহায্য করি।

বড় অনুভূতির জন্য দাঁড়ি ব্যবহার করা। ভুল: “আমি একটা নতুন কুকুরছানা পেয়েছি।” এটা নীরস শোনাচ্ছে। যদি তুমি খুব উত্তেজিত হও, তাহলে আবেগপূর্ণ পাখি ব্যবহার করো! সঠিক: “আমি একটা নতুন কুকুরছানা পেয়েছি!”

আদেশের জন্য প্রশ্ন চিহ্ন ব্যবহার করা। ভুল: “তুমি কি দরজাটা বন্ধ করতে পারবে?” এটা একটা প্রশ্ন। এটা জিজ্ঞাসা করছে যে ব্যক্তিটি এটা বন্ধ করতে পারবে কিনা। যদি তুমি তাদের এটা করতে চাও, তাহলে আদেশকারী কুকুর ব্যবহার করো। সঠিক: “দয়া করে দরজাটা বন্ধ করো।”

প্রশ্ন শব্দের ক্রম ভুলে যাওয়া। ভুল: “তুমি আসছো?” ক্রমটি একটি বর্ণনামূলক বাক্যের জন্য, কিন্তু চিহ্নটি একটি প্রশ্ন। সঠিক: “তুমি কি আসছো?”

‘তুমি’ দিয়ে একটি আদেশ শুরু করা (যখন এর প্রয়োজন নেই)। ভুল: “তুমি আমাকে ওটা দাও।” এটা কিছুটা অভদ্র শোনাতে পারে। আদেশকারী কুকুর প্রায়ই ‘তুমি’ লুকিয়ে রাখে। ভালো: “দয়া করে আমাকে ওটা দাও।” অথবা “আমাকে ওটা দাও, দয়া করে।”

তুমি কি সেই বন্ধুর নাম বলতে পারো? তুমি এটাতে ভালো! চলো খেলি। আমি একটা বাক্য বলব। তুমি আমাকে বলবে এটা কোন বন্ধু। “সূর্য গরম।” সেটি বর্ণনাকারী খরগোশ! এটি একটি দাঁড়ি দিয়ে শেষ হয়। “আমার কোট কোথায়?” সেটি প্রশ্নকর্তা বিড়াল! এটি একটি ? দিয়ে শেষ হয়। “তোমার বোনের প্রতি সদয় হও।” সেটি আদেশকারী কুকুর! এটি কাউকে কিছু করতে বলে। “ইয়ে, আমরা জিতেছি!” সেটি আবেগপূর্ণ পাখি! এটা বড় অনুভূতি দেখায়। তোমরা সবাই চার বন্ধুকে চেনো!

১০০টি বাক্য-এর একটি বড় তালিকা! এখানে একশো বাক্য দেওয়া হলো। এগুলো আমাদের চার বন্ধুর কাজ দেখাচ্ছে। দেখো তো, তুমি প্রত্যেক ধরনের বাক্য খুঁজে বের করতে পারো কিনা!

বর্ণনাকারী খরগোশের বাক্য (এগুলো আমাদের কিছু বলে): আমি আমার মাকে দেখি। বাবা রাতের খাবার বানাচ্ছেন। আমার খেলনাটা মেঝেতে। আমরা ছ’টায় খাই। বিড়ালটা লোমশ। আমার দুটো হাত আছে। আমার শার্ট নীল। গাড়িটা দ্রুত চলে। আমার বয়স ছয় বছর। দুধ তোমার জন্য ভালো। আমরা একটা বাড়িতে থাকি। বইটিতে ছবি আছে। আমার বন্ধু ভালো। পার্কে দোলনা আছে। আজ সোমবার। আমি উঁচুতে লাফ দিতে পারি। ফুলটা সুন্দর। পাখিরা উড়তে পারে। মাছেরা জলে সাঁতার কাটে। রাত গভীর। আমি আমার শিক্ষককে পছন্দ করি। আমার বোন ভাগ করে নেয়। ফোন বাজছে। কুকিগুলো খেতে ভালো লাগে। আমি একটা শব্দ শুনি। আলোটা জ্বলছে। আমার বিছানা নরম। আমাদের গাড়ি লাল। শিশুটি ঘুমোচ্ছে। আমি আমার পরিবারকে ভালোবাসি। গল্পটা মজাদার। আমার জুতো নতুন। বলটা গোল। দরজা খোলা আছে। আমার ঘর পরিষ্কার। দুপুরের খাবার তৈরি। কুকুরটির একটা লেজ আছে। আমার দিদিমা বেড়াতে আসেন। গাছটা লম্বা। আকাশে মেঘ আছে। আমি খুশি অনুভব করি। মেঝে শক্ত। আমার ভাই আমাকে সাহায্য করে। গানটা জোরে বাজছে। জল ঠান্ডা। বাবা আমাকে পড়েন। স্কুলটা বড়। কুকিটা নেই। আমি তোমার নাম জানি। সমাপ্তি এখানে।

প্রশ্নকর্তা বিড়ালের বাক্য (এগুলো একটি উত্তরের জন্য জিজ্ঞাসা করে): ওটা কি? এটা কি তোমার? আমার বলটা কোথায়? আমি কি একটা পেতে পারি? এটা কি তোমার ভালো লাগে? ওখানে কে আছে? আকাশ কেন নীল? রাতের খাবার কখন? তুমি কেমন আছো? এখন কটা বাজে? বৃষ্টি হচ্ছে? তুমি কি আমার বন্ধু? তুমি কি আমাকে সাহায্য করতে পারো? তুমি কি কুকুরটাকে দেখতে পাচ্ছো? আমরা কোথায় যাচ্ছি? তোমার নাম কি? স্যুপটা কি গরম? তুমি কি ক্লান্ত? আমরা কি এখন খেলতে পারি? তোমার কি কোনো পোষ্য আছে? সেটার রং কি? তোমার বয়স কত? তুমি কেন দুঃখিত? আমরা কখন যেতে পারি? আমার ক্রেয়নটা কে নিয়েছে? এটা কোথায় গেল? তোমার মা কি এখানে আছেন? তুমি কি ঠিক আছো? আমি কি ওটা চেষ্টা করতে পারি? তুমি কি আরও চাও? দুপুরের খাবারে কি আছে? তুমি ওটা কিভাবে করো? বাচ্চাটা কাঁদছে কেন? তোমার জন্মদিন কবে? এটা কে বানিয়েছে? বাথরুমটা কোথায়? এটা কি সেই পথ? আমরা কি পৌঁছে গেছি? আমি কি আসতে পারি? তুমি কি আমার বাবাকে চেনো? ওটা কি করে? সেখানে কতজন আছে? এটা এত জোরে কেন? আমরা কখন খাবো? দরজায় কে? কুকুরটা কোথায়? টিভিটা কি চলছে? তুমি কি আসছো? আমি কি প্রথম হতে পারি? তুমি কি বুঝতে পারছো?

আদেশকারী কুকুরের বাক্য (এগুলো কাউকে কিছু করতে বলে): দয়া করে এখানে বসো। আমার দিকে তাকাও। চুপ করো। দরজাটা বন্ধ করো। তোমার মটরশুঁটি খাও। তোমার হাত ধোও। এদিকে এসো। আমাকে ওটা দাও। আবার চেষ্টা করো। এখন লাইনে দাঁড়াও। খেলনাটা ভাগ করো। তোমার পালা পর্যন্ত অপেক্ষা করো। ওটা বন্ধ করো। আমার হাত ধরো। বইটি খোলো। তোমার মাকে ফোন করো। এটা তোলো। এটা রাখো। তোমার ঘর পরিষ্কার করো। মনোযোগ দিয়ে শোনো। ঘুমোতে যাও। তোমার দাঁত মাজো। তোমার কোট নাও। দয়া করে বলো। আমাকে সাহায্য করো। হাঁটো, দৌড়ো না। নুন দাও। পাতা উল্টাও। লাইনের মধ্যে রং করো। তোমার জুতো বাঁধো। তোমার দুধ পান করো। বলটা ছুঁড়ে মারো। ধরো। দোলনাটা ধাক্কা দাও। স্নান করো। টেবিল সাজাও। তোমার জুতো খুঁজে বের করো। চলো যাই। সাবধানে থেকো। দেখে যেও। দয়া করে থামো। ভালো থেকো। তোমার কথা ব্যবহার করো। চেষ্টা করো। মজা করো। তোমার কাজ করো। হাত তোলো। সাহায্য চাও। আমার অনুসরণ করো। এক মিনিট অপেক্ষা করো। পালা করে খেলো।

আবেগপূর্ণ পাখির বাক্য (এগুলো বড় অনুভূতি দেখায়): আমি তোমাকে ভালোবাসি! শুভ জন্মদিন! দেখে যেও! ওহ, এটা লেগেছে! বাহ, এটা বিশাল! সারপ্রাইজ! ইয়ে, আমরা জিতেছি! কি দারুণ একটা দিন! কি মজার! আমি খুব খুশি! তুমি সেরা! এটা অসাধারণ! সাহায্য করো! ওটা দেখ! শাবাশ! চমৎকার! হুররে! অসাধারণ! কুল! ওহ নো! কি বিশৃঙ্খলা! কি সুন্দর! আমি এটা করেছি! তুমি এটা করতে পারো! সাবধানে থেকো! থামো! দারুণ কাজ! কি সারপ্রাইজ! কি উত্তেজনাপূর্ণ! পারফেক্ট! চমৎকার! ব্রাভো! ইয়ামি! ছিঃ! ঘেন্না! অসাধারণ! সুপার! ওহ মাই! ভালো! হুররে! চমৎকার! হ্যাঁ! সুন্দর! খুব ভালো! ওয়াও! ইয়াক! ওহ বাবা! আমার ভালো! ছিঃ! দূর হও! ভাগো! পালাও! আগুন! জলদি! দৌড়াও!

তুমি সব ধরনের বাক্যের মাস্টার! তুমি পেরেছ! তুমি চারটি প্রধান ধরনের বাক্য জানো। তুমি বর্ণনাকারী খরগোশ, প্রশ্নকর্তা বিড়াল, আদেশকারী কুকুর এবং আবেগপূর্ণ পাখির সাথে পরিচিত হয়েছ। প্রত্যেক বন্ধুর একটি বিশেষ কাজ এবং একটি বিশেষ সমাপ্তি চিহ্ন আছে। তুমি তাদের জন্য শুনতে পারো, বলতে পারো, পড়তে পারো এবং লিখতে পারো। তুমি এখন তোমার কণ্ঠস্বর-এর সরঞ্জাম বাক্সের বস!

আমাদের এই অভিযান থেকে তুমি যা শিখেছ তা হলো: তুমি চার ধরনের বাক্য জানো: বর্ণনামূলক, প্রশ্নসূচক, আদেশসূচক এবং আবেগপূর্ণ। তুমি তাদের সমাপ্তি চিহ্ন এবং তাদের কাজ দ্বারা চিহ্নিত করতে শিখেছ। তুমি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে স্পষ্টভাবে কথা বলার জন্য প্রত্যেক প্রকার ব্যবহার করতে পারো। তুমি তাদের মধ্যে সাধারণ ভুলগুলো কীভাবে ঠিক করতে হয় তা জানো।

এবার, চলো কিছু বাস্তব অনুশীলন করি! আজকের দিনের জন্য তোমার মিশন। রাতের খাবারে, চারটি ধরনের বাক্য ব্যবহার করো। প্রথমে, একটি ঘটনা বলো: “আমার মটরশুঁটি সবুজ।” তারপর, একটি প্রশ্ন করো: “আমি কি আরও দুধ পেতে পারি?” এর পরে, একটি ভদ্র আদেশ দাও: “দয়া করে রুটিটা দিন।” অবশেষে, একটি অনুভূতি ভাগ করো: “এটা সুস্বাদু!” তুমি একজন চমৎকার বক্তা!